
ক্রীড়া ডেস্কঃ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ ঘিরে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তার মেঘ অবশেষে কাটতে শুরু করেছে। গত রোববার লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে আইসিসি, পিসিবি এবং বিসিবির মধ্যে অনুষ্ঠিত পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী এক রুদ্ধশ্বাস বৈঠকের পর এমন ইতিবাচক আভাস পাওয়া গেছে। যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের হাত ধরে, তবে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি ও পাকিস্তানি গণমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে—আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ম্যাচটি হওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।
nnnnআইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজার নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি লাহোরে মূলত পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে (পিসিবি) ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরিয়ে আনতেই মিশন শুরু করে। পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি এবং বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের উপস্থিতিতে এই ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে উঠে আসে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার ইস্যু এবং পাকিস্তানের অনড় অবস্থান।
nnnnপিসিবির ‘তিন শর্ত’ ও আইসিসির নমনীয়তাঃ পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি বৈঠকে আইসিসির ‘দ্বৈত নীতির’ কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি স্পষ্ট জানান, বাংলাদেশকে বাদ দেওয়া ‘অবিচার’। তবে তিনটি প্রধান দাবি মানা হলে পাকিস্তান কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের মুখোমুখি হতে রাজি হতে পারে:
nnnnক্ষতিপূরণ: টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়া বিসিবি-কে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
nnnnঅংশগ্রহণ ফি: বিশ্বকাপে অংশ না নিলেও বাংলাদেশকে তাদের প্রাপ্য ‘পার্টিসিপেশন ফি’ প্রদান করতে হবে।
nnnnআয়োজক স্বত্ব: ভবিষ্যতে বড় কোনো আইসিসি টুর্নামেন্ট আয়োজনের গ্যারান্টি দিতে হবে পাকিস্তানকে।
nnnnসূত্রমতে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি বাতিল হলে সম্প্রচার স্বত্ব ও স্পন্সরশিপ মিলিয়ে আইসিসির প্রায় ৬,১৫০ কোটি টাকার আর্থিক লোকসান হতে পারে। এই বিপুল অংকের ক্ষতি এড়াতে আইসিসি প্রতিনিধিরা পিসিবির দাবিগুলো নিয়ে ইতিবাচক আলোচনার আশ্বাস দিয়েছেন। তারা পিসিবিকে ‘ফোর্স মেজর’ ধারা প্রয়োগের আইনি জটিলতা ও সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকির কথাও স্মরণ করিয়ে দেন।
nnnnপিসিবি প্রধান মহসিন নাকভি জানিয়েছেন, তিনি এই বৈঠকের সারসংক্ষেপ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বসবেন। প্রধানমন্ত্রীর সবুজ সংকেত পেলেই ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত সময়েই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দেশের লড়াই দেখবে ক্রিকেট বিশ্ব।
n